Ticker

{getBlock} $results={3} $label={রাজনীতি} $type={headermagazine}

পৃষ্ঠাসমূহ

শাহপরীর দ্বীপের উন্নয়ন মহাপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্তির দাবি জানালেন স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম

প্রকাশঃ
অ+ অ-

 

কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার শাহ পরীর দ্বীপের স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম সরকারের কক্সবাজার উন্নয়ন মহাপরিকল্পনা (মাস্টার প্ল্যান)-এর সঙ্গে শাহ পরীর দ্বীপকে প্রত্যক্ষভাবে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মতে, ভৌগোলিক অবস্থান, পর্যটন সম্ভাবনা, জলবায়ু ঝুঁকি এবং কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় এ জনপদের সমন্বিত ও পরিকল্পিত উন্নয়ন এখন সময়ের দাবি।


তিনি উন্নয়ন মহাপরিকল্পনায় নিম্নোক্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব তুলে ধরেন—


১. পর্যটন উন্নয়ন: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ঘোষিত বিশেষ পর্যটন এলাকার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে শাহ পরীর দ্বীপে একটি আধুনিক ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তোলা। পাশাপাশি জেটির উন্নয়ন, ইকো-ট্যুরিজম, পর্যটকবান্ধব অবকাঠামো, অভ্যন্তরীণ বাস সার্ভিস, নৌযোগাযোগের উন্নয়ন এবং প্রয়োজনীয় পর্যটন সুবিধা সম্প্রসারণ।


২. উপকূলীয় সুরক্ষা: জলবায়ু পরিবর্তন, জলোচ্ছ্বাস ও উপকূল ভাঙনের ঝুঁকি মোকাবিলায় পোল্ডার-৬৮-এর সমুদ্র বাঁধকে টেকসইভাবে সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় স্থানে পাথরের প্রতিরক্ষা বাঁধসহ দীর্ঘমেয়াদি উপকূল ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা গ্রহণ।


৩. যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন: কক্সবাজার–টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক শাহ পরীর দ্বীপ পর্যন্ত সম্প্রসারণের মাধ্যমে পর্যটন, বাণিজ্য ও স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার আরও উন্নয়ন।


৪. শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা: একটি মা ও শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা এবং শাহ পরীর দ্বীপ হাজী বশির আহমেদ উচ্চ বিদ্যালয়কে কলেজে উন্নীত করে এলাকার শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ।


৫. নবায়নযোগ্য জ্বালানি: বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে শাহ পরীর দ্বীপে বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ।


৬. জাতীয় নিরাপত্তা: উপকূলীয় ও সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে প্রয়োজনীয় সমীক্ষা ও সরকারি সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে নৌবাহিনীর অবকাঠামো স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনা করা।


নজরুল ইসলামের মতে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শাহ পরীর দ্বীপে পর্যটন শিল্পের বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, উপকূলীয় সুরক্ষা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং স্থানীয় জনগণের জীবনমানের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে। একই সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের এই গুরুত্বপূর্ণ জনপদ জাতীয় অর্থনীতি, পর্যটন ও উপকূলীয় উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।


তিনি সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও সরকারের প্রতি আন্তরিক আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে প্রয়োজনীয় সমীক্ষা, পরিবেশগত মূল্যায়ন এবং বাস্তবতা বিবেচনা করে শাহ পরীর দ্বীপের উন্নয়ন-সংক্রান্ত বিষয়গুলো কক্সবাজার উন্নয়ন মহাপরিকল্পনায় যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

একটি মন্তব্য করুন

বিজ্ঞাপন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন